নিজেকে সেলিব্রিটি বলতে আমি ঘৃণাবোধ করি: শ্রীলেখা

নিজেকে সেলিব্রিটি বলতে আমি ঘৃণাবোধ করি: শ্রীলেখা

নিজেকে সেলিব্রিটি বলতে আমি ঘৃণাবোধ করি: শ্রীলেখা

টালিউডের আলোচিত অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। দক্ষিণ কলকাতায় রয়েছে তার সাজানো অ্যাপার্টমেন্ট। নিজ হাতে সাজানো সেই অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রি করার কথা ভেবেছিলেন অভিনেত্রী।
কেননা একবার নয়, বারবার প্রতিবেশীদের কারণে হয়েছেন বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন। শ্রীলেখা মিত্রের রয়েছে পথকুকুরদের প্রতি প্রকাশ্য মমতা। যার কারণে শুক্রবার (৫ অক্টোবর) এক ঘটনার সম্মুখীন হন এই অভিনেত্রী। যার রেশ ধরেই অভিনেত্রী বিরক্ত হয়ে রাগে-ক্ষোভে বাড়ি বিক্রির কথাও চিন্তা করে ফেলেন অভিনেত্রী।

শুক্রবার ( ৫ অক্টোবর) সকালের দিকে দুটি লাইভ করেন শ্রীলেখা। একটিতে ঘটনার দৃশ্য দেখান অপরটির লাইভে রীতিমতো কান্নায় ভেঙে পড়েন অভিনেত্রী।
প্রথম ফেসবুক লাইভে দেখা যায়, অ্যাপার্টমেন্টের অন্যান্য বাসিন্দারা এসে পথকুকুরদের প্রতিপালন নিয়ে তীব্রভাবে কটাক্ষ করছেন শ্রীলেখাকে। বিরোধিতা করছেন শ্রীলেখাও।
পরের লাইভে কান্নায় একেবারে ভেঙে পড়েন অভিনেত্রী। সেখানে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, অনেক কষ্ট করে অ্যাপার্টমেন্টটি কিনেছি। আমার রক্ত পানি করা পয়সায় কেনা। কিন্তু যা হচ্ছে আমি এখানে থাকতে পারছি না।

ওরা আমার হাত ধরেছে, আমাকে পাগল বলেছে, আমার বাড়ির বাইরে নোংরা-আবর্জনা ফেলে দেবে, কুকুরকে বিষ খাইয়ে মারবে। এত নেতিবাচকতার মধ্যে আমি হেরে গেছি। আমি এই বাড়ি ছেড়ে অন্য কোথাও থাকব।

যারা কুকুর ভালোবাসেন না, আমার থেকে এই অ্যাপার্টমেন্ট কিনে নিন। আমি আর এখানে থাকব না। তবে শ্রীলেখা মিত্র সহজেই হেরে যাওয়ার পাত্রী নন।
মাঝরাতে তিনি ফেসবুকে একটি পোস্ট করে বলেন, পুরুষতান্ত্রিক সমাজে সিঙ্গল নারী হওয়াটাই একটা ভুল কাজ। জীবনে কোনো পুরুষ থাকলে আমাকে অসম্মান করার আগে দশবার চিন্তা করত শঙ্খমণির এই গুন্ডারা ।

আরও লিখেন, আমার সঙ্গে যা হয়েছে, অন্য কোনো কেয়ার গিভারের সঙ্গে হওয়া উচিত নয়। আমি আমার দুর্বলতা সবার সামনে তুলে ধরেছি। তাতে আমি একটুকুও লজ্জিত নই।
আমি একজন শিল্পী। নিজেকে সেলিব্রিটি বলতে আমি ঘৃণাবোধ করি। আমি একজন স্পর্শকাতর মানুষ। অনেকে আমাকে পাগল মনে করে। তাই আমি দুর্বল।
গুন্ডাদের থেকে কুকুরদের বেশি পছন্দ করি আমি। এত সহজে আমি হাল ছাড়ব না। আমি এদের চিনি। এরা আমার প্রত্যেকটা পোস্ট ফলো করে।
কমেন্টও করে। তাই এই পোস্ট তাদের উদ্দেশে করলাম। যারা মনে করে টাকা থাকলে সব কেনা যায় আর মনে করে মানুষেরই এই পৃথিবীতে বাঁচার অধিকার আছে।

Author: admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *